বাংলাদেশ
সরকারের বিসিএসআইআর (BCSIR)-এর বিজ্ঞানীদের দীর্ঘ গবেষণায় উদ্ভাবিত— ঔষধ ছাড়াই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বিশেষ ফর্মুলা।
ডায়াবেটিস
নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুশ্চিন্তায় আছেন?
শরীর দিন দিন দুর্বল
হয়ে যাচ্ছে? ঔষধের ওপর নির্ভরশীল
না হয়ে সুস্থ ও
স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আজই
শুরু করুন সিনুলিন (Synulin)। এটি সাধারণ
কোনো সাপ্লিমেন্ট নয়, বরং বিজ্ঞানীদের
দ্বারা উদ্ভাবিত একটি মডার্ন ডায়াবেটিক
ফুড যা আপনার শরীরের
মেটাবলিজম ঠিক করে প্রাকৃতিকভাবে
ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে।
কেন সিনুলিন (Synulin) আপনার জন্য অপরিহার্য?
ডায়াবেটিস
রোগীদের প্রধান সমস্যা হলো
খাওয়ার পর হঠাৎ সুগার
বেড়ে যাওয়া (Sugar Spike) এবং শারীরিক দুর্বলতা। সিনুলিন এই
দুটি সমস্যারই বৈজ্ঞানিক সমাধান দেয়।
এতে ব্যবহৃত হুইট ও কর্ন ডেক্সট্রিন আপনার অন্ত্রে একটি
জালের মতো কাজ করে,
ফলে খাবার দ্রুত রক্তে
মিশতে পারে না এবং
সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। পাশাপাশি
এর MCT অয়েল ইনসুলিন ছাড়াই সরাসরি লিভারে
গিয়ে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, যা আপনাকে
দেয় ইনস্ট্যান্ট এনার্জি।
ডায়াবেটিস মানেই কেবল চিনি খাওয়া বন্ধ করা নয়, বরং শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করা। বাংলাদেশ সরকারের বিসিএসআইআর (BCSIR)-এর বিজ্ঞানীদের ফর্মুলায় তৈরি সিনুলিনের প্রতিটি উপাদান কেন আপনার জন্য অপরিহার্য, তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. ফাইবার বা আঁশজাতীয় উপাদান (রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রক)
হুইট ও কর্ন ডেক্সট্রিন (Wheat & Corn Dextrin): এগুলো উচ্চমানের দ্রবণীয় ফাইবার। এগুলো পাকস্থলীতে একটি জেলের মতো আস্তরণ তৈরি করে, যা খাবার থেকে গ্লুকোজ শোষণের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে খাওয়ার পর রক্তে হঠাৎ করে সুগার বেড়ে যায় না (No Sugar Spike)।
বার্লি (Barley): বার্লিতে থাকে 'বিটা-গ্লুকান' নামক ফাইবার। এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং শরীরকে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখার অনুভূতি দেয়, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।
২. এনার্জি ও প্রোটিন সোর্স (শারীরিক শক্তি বৃদ্ধিতে)
মিডিয়াম চেইন ট্রাইগ্লিসারাইড (MCT Oil): ডায়াবেটিস রোগীদের শক্তির প্রধান উৎস গ্লুকোজ অনেক সময় কোষে ঢুকতে পারে না। MCT অয়েল সরাসরি লিভারে গিয়ে শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এটি হজম করতে ইনসুলিনের প্রয়োজন হয় না। এটি আপনাকে সারাদিন ক্লান্তিহীন রাখে।
ফ্যাট-ফ্রি সয়া কেক (Fat-free Soya Cake): ডায়াবেটিসে অনেক সময় পেশী ক্ষয় হয়। ফ্যাট-ফ্রি সয়া কেক উচ্চমানের চর্বিমুক্ত প্রোটিন সরবরাহ করে পেশী মজবুত রাখে এবং হার্টকে সুস্থ রাখে।
৩. প্রতিটি মিনারেল বা খনিজ উপাদানের ভূমিকা
ক্রোমিয়াম (Chromium): একে বলা হয় 'ইনসুলিন বুস্টার'। এটি কোষের দরজা খুলে দেয় যাতে রক্তে থাকা চিনি কোষে ঢুকে শক্তি তৈরি করতে পারে। এটি সুগার লেভেল স্বাভাবিক রাখতে সবচেয়ে কার্যকর।
ম্যাগনেসিয়াম (Magnesium): এটি শরীরের ৩০০টিরও বেশি এনজাইমের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি ইনসুলিন হরমোনের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
জিঙ্ক (Zinc): এটি ইনসুলিন তৈরি এবং সংরক্ষণে সহায়তা করে। এছাড়া ডায়াবেটিস রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং যেকোনো ক্ষত দ্রুত শুকাতে এটি অপরিহার্য।
পটাশিয়াম (Potassium): এটি হৃদপিণ্ডের ছন্দ ঠিক রাখে এবং কিডনির কার্যকারিতা সচল রাখতে সাহায্য করে।
ক্যালসিয়াম (Calcium): ডায়াবেটিস রোগীদের হাড় দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতকে মজবুত রাখে।
আয়রন (Iron): রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে এবং শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দিয়ে দুর্বলতা দূর করে।
৪. প্রতিটি ভিটামিনের বিশেষ ভূমিকা (A, B, C, D, E, K)
ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা রোধে এই ভিটামিনগুলো ম্যাজিকের মতো কাজ করে:
ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স (B1, B6, B12): ডায়াবেটিস রোগীদের হাত-পা ঝিনঝিন করা বা অবশ হয়ে যাওয়া (Diabetic Neuropathy) রোধে এই ভিটামিনগুলো প্রধান ভূমিকা পালন করে। এগুলো শরীরের স্নায়ুতন্ত্রকে সজীব ও সচল রাখে।
ভিটামিন এ (Vitamin A): ডায়াবেটিসের কারণে চোখের ক্ষতি বা 'রেটিনোপ্যাথি' হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করে এবং চোখের রেটিনাকে সুরক্ষিত রাখে।
ভিটামিন সি (Vitamin C): এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি রক্তনালীর প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immune System) কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।
ভিটামিন ডি (Vitamin D): এটি প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নিঃসরণে সাহায্য করে এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
ভিটামিন ই (Vitamin E): এটি হার্ট ও ত্বকের সুরক্ষা দেয়। রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে এবং কোষের অকাল মৃত্যু রোধে এটি কাজ করে।
ভিটামিন কে (Vitamin K): এটি ইনসুলিনের সঠিক ব্যবহারে শরীরকে সাহায্য করে এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
কেন আপনি সিনুলিন গ্রহণ করবেন?
সিনুলিন শুধুমাত্র একটি সাপ্লিমেন্ট নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ খাদ্য ব্যবস্থা। এটি:
রক্তে শর্করার মাত্রা প্রাকৃতিক উপায়ে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
ওষুধের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সাহায্য করে।
ডায়াবেটিসজনিত ক্লান্তি ও দুর্বলতা দূর করে।
হার্ট, কিডনি, চোখ এবং স্নায়ু রক্ষা করে।
সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের নিশ্চয়তায় আজই আপনার খাদ্যতালিকায় সিনুলিন (Synulin) যুক্ত করুন।